কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাউশলা গ্রামের বাসিন্দা এক নারীর বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে এবং প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ ও মূল্যবান সম্পদ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযুক্ত নারী বিভিন্ন সময়ে সুকৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে পরবর্তীতে বিপুল অঙ্কের অর্থ ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এই কথিত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত নারীর মেঝো বোন ও দুলাভাই সরাসরি সহযোগিতা করে আসছেন। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ভিডিও কলের সাহায্যে দূরদূরান্তে থাকা ব্যক্তিদের প্রলোভনে ফেলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগও করেছেন একাধিক ব্যক্তি।ভুক্তভোগী পক্ষগুলোর দাবি, অভিযুক্ত ফাতেমা খাতুন নামের ওই নারীর বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ থেকে ৭টি বিয়ে এবং অনুরূপ আর্থিক প্রতারণার তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার মিরপুর এলাকায় অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনায় সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন ব্যক্তি এখন আদালতের দ্বারস্থ হতে এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।ভুক্তভোগীদের মধ্যে দুবাই প্রবাসী এক ব্যক্তি জানান, বিয়ের পূর্বে ওই নারী তাঁর আগের কোনো বিয়ের তথ্য প্রকাশ করেননি, বরং সম্পূর্ণ গোপন রেখেছিলেন। বিয়ের কিছুদিন পর প্রবাসী স্বামী জানতে পারেন যে, এটি ওই নারীর প্রথম বিয়ে নয়, বরং এর আগেও তাঁর একাধিক সংসার ছিল। ভুক্তভোগীর দাবি, বিয়ের পর কৌশলে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও জমিসহ মূল্যবান সম্পদ নিজের নামে নেওয়ার পর ওই নারী তাঁর সাথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এর ফলে তিনি চরম আর্থিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন।প্রবাস ফেরত ওই ব্যক্তি আরও জানান, তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রচলিত আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার চান, যেন ভবিষ্যতে আর কোনো ব্যক্তি বা প্রবাসী এমন অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতারণার শিকার না হন।উল্লেখ্য, সংবাদে উপস্থাপিত সকল তথ্যই ভুক্তভোগীদের দেওয়া বক্তব্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত নারী বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া উত্থাপিত অভিযোগসমূহ এখন পর্যন্ত কোনো আইনি সংস্থায় বা আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।

0 মন্তব্যসমূহ