সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল,পরকীয়ার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা।

 


নিজস্ব প্রতিবেদক:বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের (পরকীয়া) অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর প্রকাশ্যে তুমুল বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সচেতন মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগকারী স্ত্রীর দাবি, ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। প্রায় ছয় বছরের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাঁদের একটি সংসার রয়েছে। তবে বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী বিভিন্ন সময়ে একাধিক নারীর সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক নারীর সঙ্গে তাঁর স্বামীর ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি তিনি জানতে পারেন।ভুক্তভোগী স্ত্রীর ভাষ্যমতে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার দিন তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকায় যান এবং তাঁর স্বামী ও ওই নারীকে আপত্তিকর অবস্থায় একসাথে দেখতে পান। তাঁদের মধ্যকার অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার বেশ কিছু প্রমাণও তাঁর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আগের দিনও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর তাঁরা দীর্ঘ সময় একসঙ্গে অবস্থান করেছিলেন।এদিকে অভিযুক্ত নারী তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছেন। গণমাধ্যম বা স্থানীয়দের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তাঁদের মধ্যে কোনো অনৈতিক সম্পর্ক নেই এবং ওই ব্যক্তির সঙ্গে তিনি কেবল সাধারণ সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করেছিলেন। পুরো বিষয়টিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অতিরঞ্জিত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও তিনি পাল্টা দাবি করেন।ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনিও স্ত্রীর আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়রা কাউকে ঘটনাস্থল ত্যাগ না করার আহ্বান জানান এবং বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধানের জন্য পুলিশকে অবহিত করার কথা বলেন।অভিযোগকারী স্ত্রী স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী পারিবারিক কলহ ও আর্থিক অবহেলার অভিযোগও উত্থাপন করেন। তবে ঘটনার সংবেদনশীলতার কারণে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ